Posts

Showing posts with the label 💖 | ✐ ব্র্যান্ড: চট্টগ্রাম [Brand Chatagram]

জিলাপি পাহাড় , চট্টগ্রাম !

https://www.youtube.com/watch?v=3oFto5jGpYg

বার্মা হয়ে গেছে মিয়ানমার, পিকিং বেইজিং, রেঙ্গুন ইয়াঙ্গুন, বম্বে মুম্বাই, ক্যালকাটা কলকাতা, তাহলে চিটাগং কেন চট্টগ্রাম নয়?

Image
প্রজাতির উৎপত্তির যেমন বিজ্ঞানসম্মত কার্যকারণ রয়েছে, তেমনি অন্য অনেক কিছুর মতো কোনো দেশের নামকরণের পেছনেও রয়েছে কার্যকারণলব্ধ উৎপত্তির ইতিহাস। ইতিহাসের ক্রমান্বয়িক ধারায় দেখা গেছে শাসক ও শাসনব্যবস্থা বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে কোনো কোনো অঞ্চলের নামেরও পরিবর্তন হয়েছে। সেই বদল হয়েছে শাসকের ইচ্ছানুযায়ী। আবার শাসনের ক্রমবিবর্তনে সে বদলানো নাম মুছে গিয়ে অঞ্চলটি আবার পরিচিত হয়ে উঠেছে তার পুরোনো কিংবা আদি নামে। জন্মানোর পর শিশুকে যে নাম দেওয়া হয়, সে নাম শিশুটির বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তার অস্থিমজ্জায় রক্ত-মাংসে, ভাবনায় ও চৈতন্যে এমনভাবে মিশে যায় যে সে নিজেকে তা থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। সে নাম তার ভালো কিংবা মন্দ কাজে ব্যাপ্ত বা সংকুচিত হয় বটে, কিন্তু তাতে তার নামের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। ইংরেজিতে চিটাগং না বলে কেন চট্টগ্রাম লেখা হবে না, তা নিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক, কিন্তু লেখার সময় এখন লিখছি চিটাগং। কেন চট্টগ্রাম নয়, তা নিয়ে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় বোধ হয় এসেছে। ইস্ট বেঙ্গল ডিসট্রিক্ট গেজেটরসের গেজেটর অব চিটাগং ডিসট্রিক্ট বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯০৩ সালে। মূল্যবান তথ্যসংবলিত সেই বই...

চট্টগ্রাম কেন চিটাগং?

Image
প্রজাতির উৎপত্তির যেমন বিজ্ঞানসম্মত কার্যকারণ রয়েছে, তেমনি অন্য অনেক কিছুর মতো কোনো দেশের নামকরণের পেছনেও রয়েছে কার্যকারণলব্ধ উৎপত্তির ইতিহাস। ইতিহাসের ক্রমান্বয়িক ধারায় দেখা গেছে শাসক ও শাসনব্যবস্থা বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে কোনো কোনো অঞ্চলের নামেরও পরিবর্তন হয়েছে। সেই বদল হয়েছে শাসকের ইচ্ছানুযায়ী। আবার শাসনের ক্রমবিবর্তনে সে বদলানো নাম মুছে গিয়ে অঞ্চলটি আবার পরিচিত হয়ে উঠেছে তার পুরোনো কিংবা আদি নামে। জন্মানোর পর শিশুকে যে নাম দেওয়া হয়, সে নাম শিশুটির বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তার অস্থিমজ্জায় রক্ত-মাংসে, ভাবনায় ও চৈতন্যে এমনভাবে মিশে যায় যে সে নিজেকে তা থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। সে নাম তার ভালো কিংবা মন্দ কাজে ব্যাপ্ত বা সংকুচিত হয় বটে, কিন্তু তাতে তার নামের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। ইংরেজিতে চিটাগং না বলে কেন চট্টগ্রাম লেখা হবে না, তা নিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক, কিন্তু লেখার সময় এখন লিখছি চিটাগং। কেন চট্টগ্রাম নয়, তা নিয়ে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় বোধ হয় এসেছে। ইস্ট বেঙ্গল ডিসট্রিক্ট গেজেটরসের গেজেটর অব চিটাগং ডিসট্রিক্ট বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯০৩ সালে। মূল্যবান তথ্যসংবলিত সেই বই...

দেশের বড় ইপিজেড, নতুন তিনটি ইকনোমিক জোন, বন্দরের ব্যাপক সম্প্রসারণ - এতে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ও বড় শিল্পগ্রুপ তাদের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে নিয়ে আসবে। ফলে নেক্সট টেকনো হাব গড়ে তোলার উপযুক্ত স্থান চট্টগ্রাম।

Image
বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামকে ‘নেক্সট টেক হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি। শনিবার (১১ নভেম্বর) থেকে তিনদিনের আইটি মেলা উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সোসাইটি অফ চিটাগাং আইটি প্রফেশনালস ও চট্টগ্রাম চেম্বার যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করছে। মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের প্রধান বন্দর চট্টগ্রামে। তাই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এখানেই সবচেয়ে বেশি। দেশের বড় ইপিজেড, নতুন তিনটি ইকনোমিক জোন, বন্দরের সম্প্রসারণ হচ্ছে। এতে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ও বড় শিল্পগ্রুপ তাদের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে নিয়ে আসবে। ফলে নেক্সট টেকনো হাব গড়ে তোলার উপযুক্ত স্থান চট্টগ্রাম। মানুষের অন্যান্য অনুষঙ্গের মতো আইটিও এখন জীবনের অনুষঙ্গ হয়ে গেছে উল্লেখ করে মাহবুবুল আলম বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে ডিজিটালাইজেশনের কোন বিকল্প নেই। চট্টগ্রামকে টেকনো হাব করতে চেম্বার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে খাত ভিত্তিক মেলা আয়োজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়ে...

‘চট্টগ্রামকে ব্রান্ডিং করছেন সাংবাদিকেরা’

Image
বন্দর নগরী   চট্টগ্রামসহ দেশের ঐতিহ্য ধরে রাখার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে ফটো সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। শনিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লু চিটাগাংয়ে ‘কালার অফ চিটাগাং’ শিরোনামে ফটোগ্রাফি এক্সিবিউশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্নান জানান। চিটাগাং ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও রেডিসন ব্লু চিটাগাং বে ভিউ’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ফটোগ্রাফি এক্সিবিউশনে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, চট্টগ্রামকে ব্রান্ডিং করছেন সাংবাদিকেরা। বিশ্ব দরবারে আরও বেশি হাইলাইট করতে হবে। ২ হাজার ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম পোর্ট। এটি একটি ন্যাচারাল পোর্ট। যা বিশ্বের কোথাও দেখা যায় না। আমাদের বাঙালি ঐতিহ্য; আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে। আমরা মাছে ভাতে বাঙালি। কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে হারাতে দেওয়া যাবে না। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও দৃষ্টিনন্দন যে ছবিগুলো সাংবাদিকেরা তুলছেন, তা কিছু দিন পর হয়তো পাওয়া নাও যেতে পারে। এর আগে সাংবাদিকেরা যে ছবিগুলো তুলেছেন, কালের বিবর্তনে এখন তা কিন্তু দুষ্প্রাপ্য। তাই দেশকে এগিয়ে নিতে...

‘কালার অব চিটাগাং’র শেষদিনে উপচেপড়া ভিড়

Image
বলা হয়ে থাকে প্রাচ্যের রানি চট্টগ্রাম। সাগর, পাহাড়, নদ-নদী, হ্রদ আর সমতলের অপূর্ব মেলবন্ধনের জন্যই। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য পেখম খুলেছে চট্টগ্রামে। একনজরে এ জনপদকে উপস্থাপন করেছে ‘কালার অব চিটাগাং’ নামের এ প্রদর্শনী। এভাবেই নিজের উচ্ছ্বসিত অনুভূতি জানালেন সরকারি সিটি কলেজের ছাত্রী পূর্ণা বড়ুয়া। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) শেষ বিকেলে পাঁচতারা হোটেল রেডিসন ব্লু চিটাগাং বে ভিউতে কথা হয় তার সঙ্গে। চিটাগাং ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত প্রদর্শনীর শেষদিন হওয়ায় ছিল উপচেপড়া ভিড়। এ দিন প্রদর্শনী দেখতে আসেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, শিল্পপতি মিজানুর রহমান, সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদ প্রমুখ। পদচারণা ছিল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা, সদস্য, আলোকচিত্র সাংবাদিক ও শৌখিন আলোকচিত্রীদের। কেউ এসেছিলেন সপরিবারে, কেউ আবার সবান্ধবে। শনিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। উদ্বোধন করেছিলেন দৈনিক পূর্বকোণের নির্বাহী সম্পাদক ডা. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী। আশাতীত সাড়া পেয়েছেন জানিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মশ...

বিশ্বের ‘সর্বোচ্চ’ সড়কে সাইকেল নিয়ে চট্টগ্রামের সাকিব

Image
১৮ জুলাইয়ের ঠিক দুপুর নামার মুখে। গাড়ি চলাচলের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু সড়কপথ হিসেবে খ্যাত খারদুংলা পাসে প্রিয় লাল-সবুজের পতাকা পুঁতে দিলেন বছর ২৪ এর এক তরুণ। ১৮ দিন সাইকেল চালিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮ হাজার ৩৮০ ফুট উচ্চতার এই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছান তিনি। নাম তার সাকিব মাহমুদ। পড়েন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগে। সাকিবের অর্জনটা কতোবড় তা বোঝাতে নিচের তথ্যটুকুই যথেষ্ট। গুগল বলছে-ভারতের উত্তরে শীতল মরুভূমির দেশখ্যাত লাদাখের অবস্থান। সেখানে যাওয়ার জন্য রয়েছে দুটি রাস্তা-একটি শ্রীনগর আর অন্যটি মানালি হয়ে। মানালি থেকে লাদাখ যাওয়ার পথে পড়বে পাঁচটি মাউন্টেন পাস। আর সবার শেষেই খারদুংলা পাস। এটি অ্যাভারেস্ট বেস ক্যাম্পের থেকেও উঁচু। সেই জায়গায় খাবার-পানি দূরে থাক এমনকি অক্সিজেন সীমিত থাকায় বেশিক্ষণ টিকে থাকা দায়। আর প্রায় পুরো বছর পথটা বরফে ঢাকা থাকে বলে শুধু মে থেকে আগস্ট পর্যন্তই সেটি উন্মুক্ত থাকে। পৃথিবীর তাবৎ বড় বড় সাইক্লিস্টরা সেই সময়টাকেই বেছে নেয়। বাংলাদেশের হয়ে সাকিবের আগে মাত্র একজনই এই পথে সাইকেল চালানোর দুঃসাহস দেখিয়েছেন। নিয়াজ মোর্শেদ নামের ওই তরুণ পাড়ি দিয়েছিলেন ৫১...