‘কালার অব চিটাগাং’র শেষদিনে উপচেপড়া ভিড়
বলা হয়ে থাকে প্রাচ্যের রানি চট্টগ্রাম। সাগর, পাহাড়, নদ-নদী, হ্রদ আর সমতলের অপূর্ব মেলবন্ধনের জন্যই। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য পেখম খুলেছে চট্টগ্রামে। একনজরে এ জনপদকে উপস্থাপন করেছে ‘কালার অব চিটাগাং’ নামের এ প্রদর্শনী।
এভাবেই নিজের উচ্ছ্বসিত অনুভূতি জানালেন সরকারি সিটি কলেজের ছাত্রী পূর্ণা বড়ুয়া। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) শেষ বিকেলে পাঁচতারা হোটেল রেডিসন ব্লু চিটাগাং বে ভিউতে কথা হয় তার সঙ্গে। চিটাগাং ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত প্রদর্শনীর শেষদিন হওয়ায় ছিল উপচেপড়া ভিড়।
এ দিন প্রদর্শনী দেখতে আসেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, শিল্পপতি মিজানুর রহমান, সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদ প্রমুখ। পদচারণা ছিল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা, সদস্য, আলোকচিত্র সাংবাদিক ও শৌখিন আলোকচিত্রীদের। কেউ এসেছিলেন সপরিবারে, কেউ আবার সবান্ধবে।
শনিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। উদ্বোধন করেছিলেন দৈনিক পূর্বকোণের নির্বাহী সম্পাদক ডা. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী।
আশাতীত সাড়া পেয়েছেন জানিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মশিউর রহমান বাদল বলেন, ফটোসাংবাদিকরা সংবাদের ছবির পেছনেই ছুটি। তাই প্রকৃতির, নান্দনিক চট্টগ্রামের ছবি তোলার সুযোগ খুব কম হয়। তবুও কাজের ফাঁকে ফাঁকে নিজের জন্য কিছু ছবি তুলি। তার মধ্যে যেসব ছবি আমাদের এই চট্টগ্রামকে তুলে ধরে, সেইসব ছবি নিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি আমরা। আমরা মনে করি, এসব ছবির মাধ্যমে চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনা বাড়বে। দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা আকৃষ্ট হবেন।
সিপিজেএ’র প্রদর্শনী সম্পাদক সোহেল সরওয়ার বলেন, আমরা শুধু মারামারি, মিছিল, মিটিংয়ের ছবিই তুলি না। সংস্কৃতির বিকাশে সৃজনশীল ছবিও তুলি। এই প্রদর্শনীতে চট্টগ্রামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ফটোসাংবাদিকদের আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর আগে ভারতের আগরতলা, নেপাল ও নগরীর শিল্পকলায় প্রদর্শনী হয়েছে। আমাদের পরবর্তী প্রদর্শনী সার্কভুক্ত দেশ ভুটানে হবে আশারাখি।
Comments
Post a Comment