Posts

Showing posts with the label সারাবিশ্বে সারাবাংলা [Random Bengal Global]

‘বসবাসের জন্য আমেরিকার চেয়ে ভালো বাংলাদেশ’ - নোবেলজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ অ্যানগাস ডেটন।

Image
বসবাসের জন্য আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশ ভালো। মন্তব্য করলেন নোবেলজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ অ্যানগাস ডেটন। গেলো সোমবার ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর বিজনেস ইকোনমিকসের সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক বলেন, আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ বাংলাদেশের চেয়েও খারাপ। আমেরিকার পূর্বাঞ্চলের অ্যাপালেশিয়ার মানুষের গড় আয়ুর চেয়ে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু অনেক বেশি।তিনি বলেন, আমেরিকার ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। দরিদ্রদের কল্যাণে সাময়িক সহযোগিতার মতো বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি থাকলেও আমেরিকার খুব কম মানুষই এ থেকে সুবিধা পান।তিনি আরো বলেন, সার্বিকভাবে প্রতিটি দেশে বৈষম্য কমলেও একটি দেশ থেকে আরেকটি দেশের মধ্যে তা বেড়েই চলেছে। সারা বিশ্বের অবস্থা ভালো কিন্তু সব জায়গার বা সব মানুষের অবস্থা নয়।

গিনেসে বাংলাদেশের কয়েকটি রেকর্ড

Image
‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এর ওয়েবসাইটে এসব রেকর্ডের কথা আছে৷ গিনেস বলছে, ওয়েবসাইটে যে রেকর্ডগুলোর তালিকা আছে, সেগুলো সব হালনাগাদ৷ সবচেয়ে পাতলা দেশ রাষ্ট্রতো আর পাতলা হতে পারে না, পাতলা হতে পারে তার মানুষ৷ সেই হিসেবে ২০১০ সালে বিশ্বের ‘সবচেয়ে পাতলা দেশ’ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ওঠে গিনেস বইয়ে৷ সেই সময় মেয়েদের গড় বিএমআই (বডি ম্যাস ইনডেক্স) ছিল ২০.৫, আর পুরুষদের ২০.৪৷ সবচেয়ে ভারি শিল ১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল গোপালগঞ্জে শিলাবৃষ্টি হয়েছিল৷ সেই সময় যে শিল পড়েছিল তার কোনো কোনোটির ওজন ছিল প্রায় এক কেজি৷ ঐ দিন ৯২ জন নিহত হয়েছিলেন৷ পাঁচ ভাই বিয়ে করেন পাঁচ বোনকে ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে নরেন্দ্র নাথ ও তারামনি রায় দম্পতির পাঁচ মেয়ের সঙ্গে তারাপদ কর্মকার ও খানা রানি রায় দম্পতির পাঁচ ছেলের বিয়ে সম্পন্ন হয়৷ ফুটবল শৈলী রোলার স্কেটের উপর দাঁড়িয়ে মাথার উপর ফুটবল নিয়ে ২৭.৬৬ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পার হয়েছেন আব্দুল হালিম৷ ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে এই নৈপুণ্য দেখান তিনি৷ দীর্ঘতম মানববন্ধন ২০০৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ একজন আরেকজনের হাত ধরে দাঁড়িয়েছিলেন৷ সরকারের বিরুদ্ধে ‘অনাস্থা’ প...

মেয়ের হাতে তুলে দিয়েছেন গীতবিতান, সঞ্চিতা, হাজার বছরের বাংলা ইতিহাস, বাংলা ব্যাকরণসহ অসংখ্য বাংলা বই।

Image
১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস। ছয় বছরের একটি মেয়ে তার মায়ের সঙ্গে পাড়ি জমায় স্বপ্নের নগরী নিউ ইয়র্কে। সেই মুহূর্ত থেকে বদলে যায় মেয়েটির জীবন। এরপর প্রবাসে কেটে গেছে চব্বিশ বছর। এই প্রবাস জীবনের স্মৃতি মেয়েটির পায়ের তলার মাটিকে করেছে মজবুত, গড়েছে দৃঢ় ভিত্তি। মেয়েটির প্রবাস জীবনের ঝুলির অভ্যন্তরে রয়ে যাওয়া স্মৃতিরা প্রায়শই উঁকি দেয়, নাড়া দেয়। মেয়েটিকে স্মরণ করিয়ে দেয়, আমরাও আছি, আমরাও নিতে চাই মুঠোভরা উন্মুক্ত নিঃশ্বাস। মানুষের জীবন যতই ক্ষুদ্র হোক না কেন, স্মৃতির ক্যানভাস হয় বিশাল। রং-তুলির একেকটি আঁচড়, একেকটি স্মৃতি। এই ভাষার মাসে তেমন কিছু স্মৃতি, কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু উপলব্ধি, কিছু প্রশ্ন এবং উত্তরের খোঁজে রয়েছে মেয়েটি। প্রবাসে বাংলা শেখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিতর্ক এখন কমে এসেছে। নিউ ইয়র্কে বাংলা ভাষা ও কৃষ্টি-চর্চার প্রতিষ্ঠানের বৃদ্ধি তার জ্বলজ্বলে প্রমাণ। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তাদের শিকড় সম্পর্কে এখন জানতে চায়। এজন্য নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়, চিত্রাঙ্কন প্রভৃতি মাধ্যম তারা বেছে নিয়েছে। এর সাহায্যে তারা জানতে ও বুঝতে শিখছে মাতৃভূমিকে। তবে, নিউ ইয়র্ক শহরে এই চর্চাগুলো কিছুদিন আগেও ভালোভ...