এবার চাঁদ অভিযাত্রায় বেজোস ও মাস্ক ✐প্রথম আলো [prothom-alo.com] 💖

এই মুহূর্তে পৃথিবীর শীর্ষ ধনী জেফ বেজোস। মার্কিন এই ধনকুবের আমাজনের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও মহাকাশ যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ব্লু অরিজিন’–এর প্রতিষ্ঠাতা। আর একজন এলন মাস্ক, তিনি টেসলা নামক বৈদ্যুতিক গাড়ি দিয়ে ভবিষ্যতের গাড়ির বাজারে আধিপত্য করতে যাচ্ছেন যেমন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্সের বানানো রকেটের শরণাপন্ন হন এখন অনেক দেশের সরকারও। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ২০২৪ সালে চাঁদে আবার মানুষ পাঠানোর যে পরিকল্পনা করেছে, তার সঙ্গে আছেন প্রযুক্তি জগতের এই দুই টাইকুনও।
ওয়াশিংটন সময় গত মঙ্গলবার নাসা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এবারের চন্দ্রযাত্রায় ১৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করেছে তারা। তার মধ্যে বেজোসের ব্লু অরিজিন ও মাস্কের স্পেসএক্স রয়েছে। এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চন্দ্রযাত্রায় হার্ডওয়্যার থেকে সফটওয়্যারের মতো বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনা মূল্যে নাসাকে সরবরাহ করবে। নাসার এবার চন্দ্রযাত্রার নাম দেওয়া হয়েছে শিকার ও চাঁদের গ্রিক দেবীর নামে ‘আর্তেমিস’, পৌরাণিক কাহিনিমতে যিনি আবার দেবতা অ্যাপোলোর যমজ বোন। এই অ্যাপোলোর নামেই নাসার ষাট ও সত্তরের দশকে আগের চন্দ্রযাত্রাগুলো পরিচালিত হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে চাঁদের মাটিতে প্রথম মানুষ পদার্পণের যাত্রা অ্যাপোলো–১১।
স্পেসএক্স অবশ্য নিজের উদ্যোগে ২০২০ সালে মানুষবিহীন একটি যান পাঠাবে চাঁদে। এর দুই বছর চাঁদের কক্ষপথে প্রথম নারী নভোচারীসহ একটি নভোচারী দল পাঠাবে প্রতিষ্ঠানটি।
আর্তেমিসের পরই নাসার চোখ লাল গ্রহ মঙ্গলে। চন্দ্রযাত্রার পর বহুল আকাঙ্খিত মঙ্গলযাত্রায়ও যথারীতি বেজোস ও মাস্কের প্রতিষ্ঠান কাজ করবে। নাসার সহযোগী প্রশাসক জিম রয়টার বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতের মহাকাশযাত্রায় প্রযুক্তিগত কাজের এলাকাগুলো শানাক্ত করেছি। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) অধীন দ্রুত এই অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করবে নাসা।
ব্লু অরিজিন কাজ করবে হিউস্টনে নাসার জনসন স্পেস সেন্টার ও রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গদার্ডের সঙ্গে। চন্দ্রযানের দিক নিয়ন্ত্রণ ও ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মাধ্যমে চাঁদের মাটিতে নিরাপদ অবতরণের উন্নত ব্যবস্থা তৈরি করতে গ্লেন ও জনসন নামের দুটি কোম্পানির সঙ্গে মিলে ‘ব্লু মুন’ নামে চাঁদে অবতরণের যান তৈরিতে কাজ শুরু করেছে। এই যানে আরও উন্নত জ্বালানি সরবরাহের ব্যাটারি তৈরি করবে প্রতিষ্ঠানটি। চাঁদের রাতে প্রায় দুই সপ্তাহ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এই ব্যাটারি।
এ ছাড়া ব্লু অরিজিন মার্শাল ও ল্যাংলি নামের দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে রকেট ইঞ্জিনে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বালানি সরবরাহের আরও উন্নত ব্যবস্থা তৈরি করবে।
Visit Today's
✐প্রথম আলো [prothom-alo.com] 💖
without leaving MCB :
[iframe src="https://www.prothomalo.com" width="100%" height="700"]
Comments
Post a Comment