রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এখন বড় চ্যালেঞ্জ ✐মানবকন্ঠ manobkantha.com.bd 💖





🇧🇩 Top Bangla News, Newspapers, Portals, Magazines, Etc. 💖

মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করানো এখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের জন্য। এসব রোহিঙ্গারা এখন দেশের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবিকতা আর উদারতার প্রশ্রয়ে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে দিন দিন। জড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডে। ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টাও করেছে তারা। যে কারণে ক্যাম্প এলাকাসহ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন মারাত্মক হুমকিতে।
সর্বশেষ গত রোববার কক্সবাজারের উখিয়ার মধুরছড়া এক্সটেনশন-৪ ক্যাম্পে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। প্রায় ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা ঘোষণা করেন, দাবি না মেনে একজন রোহিঙ্গাও ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। মিয়ানমারের নাগরিকত্ব ছাড়া তাদের কেউই কখনো ফিরবে না।
এদিকে সরকারের নজর এড়িয়ে আকস্মিক রোহিঙ্গাদের বিশাল জমায়েত ও কঠোর বক্তব্যে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মনে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সাড়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার কারণে উখিয়া-টেকনাফের প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ স্থানীয় বাসিন্দা বেশ আগেই সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে। তাদের জীবন-জীবিকা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও পর্যটন শিল্প সবই এখন হুমকিতে। এমন প্রেক্ষাপটে দাবি-দাওয়া নিয়ে এ দেশেই রোহিঙ্গাদের সংগঠিত হয়ে ওঠা দুশ্চিন্তায় ফেলেছে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে।
প্রশ্ন উঠেছে, যে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি তারা মাত্র দুই বছরে এখানে এত সংগঠিত কিভাবে হলো? শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত এই জনগোষ্ঠীকে ইংরেজিতে লেখা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার কারা সরবরাহ করেছে? বিশাল আকৃতির ব্যানারগুলোই বা তারা কোথায় পেয়েছে? দুই বছরের মাথায় এসে কক্সবাজারের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট ও রোহিঙ্গাদের কর্মকাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে, এত ব্যাপক পরিসরে আশ্রয় দেয়াটা ঠিক ছিল কি-না। সে প্রশ্ন এখন বড় হয়ে আসছে। ক‚টনৈতিক নাটক করা মিয়ানমার আসলেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চায় কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশের জনগণকে জিম্মি করে রোহিঙ্গারা দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে। দেশি ও বিদেশি চক্র রোহিঙ্গাদের মদদ দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থির করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত রোববার মহাসমাবেশ করিয়েছে।
বিশ্লেষকরা এসব উসকানিদাতাকে আশ্রয় শিবির থেকে বিচ্ছিন্ন করে দূরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলেন, এটা একটা অশনিসঙ্কেত। পাশাপাশি এ চক্রান্ত নস্যাৎ করতে দ্রæত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সরকারের প্রতি আহŸান জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গাদের আমরা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করলেও মিয়ানমার সরকার তাদের পরিকল্পিতভাবে দেশ থেকে তাড়িয়েছে। নির্যাতন করেছে। দীর্ঘসময় ধরে তাদের ওপর নিধনযজ্ঞ চালিয়েছে।
তিনি বলেন, একটি দেশের সরকার যখন একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ওপর নিধনযজ্ঞ চালায়, তাদের দেশ থেকে বের করে দেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে তখন সেখানে ওই জনগোষ্ঠী অসহায় হয়ে পড়ে।
তিনি আরো বলেন, যে পরিকল্পনা নিয়ে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে, রোহিঙ্গাদের ফের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তার থেকে বড় পরিকল্পনা নিতে হবে। এটা ক‚টনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমেই সম্ভব।
আরেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ বলেন, রোহিঙ্গাদের শোডাউন ছিল বাংলাদেশের জনগণকে জিম্মি করে দাবি আদায়ের চেষ্টা। রোহিঙ্গা সঙ্কট হলো বৈশ্বিক ভ‚-রাজনীতি এবং আঞ্চলিক ভ‚-রাজনীতির সংঘাতের ফসল। স্বভাবতই তারা নিজ নিজ স্বার্থ হাসিল করতে চায়। রোহিঙ্গা দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থির করতে দেশি-বিদেশি চক্র মদদ দিচ্ছে। যতদিন রোহিঙ্গারা এদেশে থাকবে, ততদিন এই ষড়যন্ত্র চলতে থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পরই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে গতি লাভ করেছে। চীনের মধ্যস্থতায় প্রত্যাবাসন শুরুর তারিখ নির্ধারণের পর রোহিঙ্গারা বেঁকে বসেছে। রোহিঙ্গাদের এই বেঁকে বসার পেছনে দেশি-বিদেশি উসকানি রয়েছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের এবারের অগ্রগতিকে শুভসূচনা হিসেবে অভিহিত করে অবসরপ্রাপ্ত এই সেনাকর্মকর্তা বলেন, চীনের সহযোগিতায় রোহিঙ্গারা যাতে আগামী দিনে ফিরে যেতে পারে, সেই চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান রাতারাতি হবে না। সমাধানে সময় লাগবে। সেজন্য মিয়ানমারের ওপর ক‚টনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করতে হবে।
অন্যদিকে আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে রোহিঙ্গা সঙ্কট বিশেষ গুরুত্ব পাবে। ক‚টনৈতিক সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে শুরু হবে সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশন।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হবে সাধারণ বিতর্ক। সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফর করবেন। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণে রোহিঙ্গা সঙ্কটের কথা গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে এ পর্যন্ত দুই দফা উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। এরই পটভ‚মিতে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে আসন্ন অধিবেশনে তার ভাষণেও সঙ্কট সমাধানের ওপর জোর দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রত্যাবাসন উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর গত রোববার বাংলাদেশ এ বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। দাবি-দাওয়া বিবেচনা করাসহ সঠিক তথ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের ফিরে যেতে উদ্বুদ্ধ করা এবং ফিরিয়ে নেয়ার দায়িত্ব মিয়ানমারের। বাংলাদেশ মিয়ানমারের নিষ্ক্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার দায় নিতে পারে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কটনীতিক বলেন, ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ তাদের প্রাণে বাঁচিয়েছে। অনেক সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা সত্তে¡ও বাংলাদেশ তার দায়িত্ব পালন করেছে। এখন মিয়ানমারে ফেরার পরিবেশ নেই- এই অজুহাতে বিশ্বসম্প্রদায় বাংলাদেশের কাছে রোহিঙ্গাদের অনির্দিষ্টকাল আশ্রয় প্রত্যাশা করতে পারে না। রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত রোববারের সমাবেশটির আয়োজনের পেছনে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। সমাবেশ আয়োজনে রোহিঙ্গা শিবিরের ভেতরে ও বাইরে, এমনকি রোহিঙ্গা শিবির থেকে দূরে ইনানিতেও বৈঠক হয়েছে।
দেশ-বিদেশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাদের সহযোগিতা করেছে। রোহিঙ্গা শিবির ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বরত সরকারি প্রতিনিধিরাই এমন কিছু তথ্য ঢাকায় সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে পাঠিয়েছেন। রোহিঙ্গা সমাবেশের আয়োজনে বেশ কয়েকটি দেশি-বিদেশি এনজিওর বিরুদ্ধেও সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের মুক্তি নামে একটি এনজিওর বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে যে তারা রোহিঙ্গাদের নগদ অর্থ ছাড়াও সমাবেশের প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন প্রদানসহ নানাভাবে সহায়তা করেছে। তবে এনজিওটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রণজিত দাশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।’ সমাবেশ আয়োজনে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে আরেকটি স্থানীয় বিতর্কিত এনজিও পালস, বিদেশি এনজিও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যানিটারা, হেলবিটাচসহ আরো কয়েকটির সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধেও। তবে পালসের নির্বাহী সাইফুল ইসলাম কলিমসহ অন্যরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা সমাবেশ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত রোহিঙ্গা নেতা সিরাজুল মোস্তফাও অস্বীকার করেছেন সমাবেশ আয়োজনে কোনো অর্থ পাওয়ার কথা।
অন্যদিকে বাইরের দিক থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প শান্ত মনে হলেও ভেতরে-ভেতরে অস্থিরতা ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। ক্যাম্পের ভেতরে দিনের বেলায় এক রকম চিত্র থাকলেও রাতের বেলায় চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। রাতের আঁধার নামার সাথে সাথেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র পদচারণা শুরু হয়। ক্যাম্পের অভ্যন্তরে মাদকের প্রসার, মানব পাচার ও হাটবাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোহিঙ্গা মধ্যে বাড়ছে অভ্যন্তরীণ বিরোধও। এ ছাড়া বাড়ছে হামলা ও সংঘর্ষ, খুন, অপহরণ এবং ধর্ষণসহ নানা অপরাধও। একদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। অন্যদিকে পর্যাপ্ত রাস্তাও নেই। ক্যাম্পের ভেতরে বড় কয়েকটি সড়ক তৈরি করা হয়েছে যেগুলো ‘আর্মি রোড’ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এসব রাস্তার মাধ্যমে সব জায়গায় পৌঁছানো যায় না। এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে পৌঁছাতে পাহাড়ি উঁচু-নিচু রাস্তায় অনেকক্ষণ হাঁটতে হয়। ফলে যে কোনো অপরাধ করে দ্রæত সেখান থেকে পালিয়ে যাওয় সম্ভব। রাতেরবেলায় এসব জায়গায় যেতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও নিরাপদ বোধ করেন না।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছরে রোহিঙ্গা শিবিরে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্ব›েদ্ব^ ৪৩ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। আর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছেন আরো ৩২ রোহিঙ্গা। এ ছাড়া ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, চুরি, মাদক ও মানব পাচারসহ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৪৭১টি। এর মধ্যে মাদক মামলা ২০৮, হত্যা মামলা ৪৩ ও নারী সংক্রান্ত মামলা ৩১টি। এসব মামলায় আসামি ১০৮৮ জন রোহিঙ্গা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ক্যাম্পের ভেতরে একটি অংশ আছে যাদের ‘কাফের’ বা বিশ্বাসঘাতক হিসেবে সন্দেহ করে অপরপক্ষ। এসব ব্যক্তি এখনো ক্যাম্প থেকে মিয়ানমারের গোয়েন্দাদের তথ্য দেয় বলে তাদের প্রতিপক্ষের অভিযোগ। ক্যাম্পের ভেতরেই একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে যারা তাদের দৃষ্টিতে ‘কাফের’ চিহ্নিত করার কাজ করে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মুহাম্মদ ইউনুস জানান, যাদের হত্যা করা হয়েছে তারা সবাই মোনাফেক। কোনো ভালো মানুষকে হত্যা করা হয়নি। স্থানীয়রা বলছেন, দিন দিন রোহিঙ্গারা বেপরোয়া হয়ে ওঠার পাশাপাশি তারা চুরি, ডাকাতি, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এমনকি বর্তমানে রোহিঙ্গারা স্থানীয় লোকজনের ওপর হামলাও করেছে। এসব কারণে রোহিঙ্গাদের প্রতি স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়ছে।
এ পটভ‚মিতে রোহিঙ্গাদের অপরাধ ঠেকাতে ক্যাম্পের চারদিকে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে পুলিশ। ক্যাম্প এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনেরও প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে পুলিশ সদর দফতরে। প্রতিবেদনে অন্যান্য প্রসঙ্গের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের অপরাধপ্রবণতা বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে তা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/টিএইচ



MCB Love to Mention CSL : >
(Content Source Link)






🇧🇩 Top Bangla News, Newspapers, Portals, Magazines, Etc. 💖

Comments

LMP - Last Month Popular

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং| শীর্ষে ব্র্যাক, নর্থ সাউথ ও আইইউবি

ফোরজি সেবা পেতে জানতে হবে তিনটি তথ্য

সামনের সপ্তাহেই পুত্রকে সরাসরি সিংহাসনে বসাবেন বাদশাহ সালমান!