দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাংকিং করতে বাংলা ট্রিবিউন-ঢাকা ট্রিবিউন যৌথ উদ্যোগে একটি গবেষণা পরিচালনা করে। এই র্যাংকিংয়ের শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। দ্বিতীয় অবস্থানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)। এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওআরজি কোয়েস্ট রিসার্চ লিমিটেড। বাংলাদেশে বর্তমানে ৮৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এই গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একটি র্যাংকিংয়ের আওতায় আনা। যদিও ৮৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়নি। যে ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার কালো তালিকাভুক্ত করেছে তাদের এই র্যাংকিংয়ের আওতায় আনা হয়নি। এছাড়া যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ২০১২ সালের পর শুরু হয়েছে ও এখনপর্যন্ত কোনও সমাবর্তন হয়নি, সেগুলোও এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ২০টি। ভবিষ্যতে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণার নেওয়া হবে। এছাড়া যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়ায় এবং যারা অনার্স ডিগ্রি অফার করে না, সেগুলোকেও এই গবেষণার আওতায় আনা হয়নি। যেসব বিশ্ব...
দেশে ফোরজি সেবা চালু হলেও মোবাইলফোন গ্রাহকদের সবাই ব্যবহার করতে পারছেন না। মূলত তিনটি তথ্য জানা না থাকায় এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে মনে করছেন মোবাইলফোন অপারেটররা। তথ্য তিনটি হলো সিম ও মোবাইল সেট ফোরজি কিনা এবং ব্যবহারকারী যে এলাকায় থাকেন সেই এলাকা এখনও ফোরজি কাভারেজের আওতায় এসেছে কিনা। অপারেটররা বলছে, সিম ও মোবাইলফোন সেট ফোরজি সাপোর্টেড কিন্তু গ্রাহক যে এলাকায় থাকেন সেই এলাকা হয়তো এখনও ফোরজি কাভারেজের মধ্যে আসেনি। ফলে চেষ্টা করেও ফোরজি পাওয়া যাবে না। এজন্য অপেক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মোবাইলফোন অপারেটরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ফোরজি চালুর জন্য অপারেটরগুলোর হাতে কোনও সেন্ট্রাল সুইচ নেই যে একটা বাটন চাপলেই সারাদেশে ফোরজি চালু হয়ে যাবে। একটার পর একটা বিটিএস (নেটওয়ার্ক টাওয়ার) অন করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ফোরজি চালু করা হচ্ছে। তিনি জানান, গ্রাহক যে এলাকায় আছেন সেই এলাকায় ফোরজি চালু হয়েছে কিনা তা জানার জন্য তিনি গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যাওয়ার পরামর্শ দেন। অন্যদিকে গ্রাহকের সিম ও মোবাইলফোন সেটটি ফোরজি...
গত জুনে ভাতিজাকে সরিয়ে ছেলেকে ‘ক্রাউন প্রিন্স’ ঘোষণার মধ্য দিয়েই তাকে সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে সামনে নিয়ে আসেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। এরপর সৌদিকে ‘আধুনিক’ ইসলামের ‘উন্নত অর্থনীতির’ রাষ্ট্র বানাতে বাদশাহর পেছনে থেকে ‘ক্রাউন প্রিন্স’র একের পর এক আলোচিত পদক্ষেপ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে বিশ্ববাসীকে। কিন্তু এই চলতি ধাঁধার চেয়েও বড় চমকের খবর দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। তারা বলছে, জুনে মোহাম্মদ বিন নায়েফকে সরিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানকে ক্রাউন প্রিন্সের আসনে বসানোর চেয়ে বড় চমক আগামী সপ্তাহেই দেবেন বাদশাহ। দু’বছরেরও কম সময় আগে সিংহাসনে বসা সালমান পদত্যাগ করে বাদশাহর আসনে বসিয়ে দেবেন পুত্র মোহাম্মদকে। মাত্র পাঁচ মাসেরও কম সময়ে এই পরিবর্তন যদি হয়, তবে সৌদি রাজসিংহাসনের ইতিহাসে এটি হবে বিরল ঘটনা। কারণ, ১৯৩২ সালে আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের হাত ধরে সৌদি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর যে ক’জন বাদশাহ ক্ষমতায় ছিলেন, কেউই এতো কম সময়ে বাদশাহী ছাড়েননি। এর আগে সবচেয়ে কম সময় মাত্র ৭ বছর বাদশাহীতে ছিলেন ১৯৭৫ সালে সিংহাসনে বসা খালিদ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। সূত্রের বরাত দিয়ে দিয়ে ড...
Comments
Post a Comment