সৌদি সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসির পাশে শেখ হাসিনা

:) Please make sure this service remains a free forever service for you by visiting our this above & bellow sponsors, by the way- sponsor's informative ad also inform you on latest trends. :)

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন এক বিশাল যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আল-জুবাইলে ‘গাল্ফ শিল্ড-১’ শীর্ষক এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি বাদশা ও দুই পবিত্র মসজিদের হেফাজতকারী সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। কুচকাওয়াজে বাংলাদেশসহ ২৪টি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেয়।
সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুয়েতের আমীর শেখ সাবাহ আল-আহমেদ আল-জাবের আল-সাবাহ, বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল আল-খলিখা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস-প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাই’র শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ, মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল-সিসি, সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খোকন আব্বাসি।
কিং সালমানের সাথে ক্রাউন প্রিন্স, উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান অংশ নেওয়া দেশগুলোর নেতা ও প্রতিনিধিদের অভ্যর্থনা জানান।
উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় বন্ধু দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সমন্বয় ও সহযোগিতায় সৌদি আরব মাসব্যাপী এ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে।
বাদশাহ সালমান বন্ধু দেশগুলোর বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়ে মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এই সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন।
সামরিক মহড়ার মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল সুবাইয়ে বলেন, ২৪টি দেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মহড়ার আয়োজন করেছে।
এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাংলাদেশ, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, মিশর, জর্ডান, সুদান, মৌরিতানিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, শাদ, জিবুতি, নাইজার, কমরোস, আফগানিস্তান, ওমান, গায়ানা, তুরস্ক ও বুরকিনাফেসো যোগ দিয়েছে।
গত ১৮ মার্চ এই মহড়া শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। আবদুল্লাহ বলেন, প্রচলিত ও অপ্রচলিত এই দু’ধরনের সামরিক অভিযান নিয়ে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।
মুখপাত্র বলেন, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে এমন বৈরী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যৌথ সামরিক যুদ্ধাভিযান পরিকল্পনার ধারণা কার্যকর করা হচ্ছে এই মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
বিশ্লেষকরা অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ও এতে ব্যবহৃত অস্ত্রের গুণগত মানের নিরিখে এটিকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বৃহত্তম সামরিক মহড়া হিসেবে গণ্য করছেন।
MyCtgBangla সংবিধান ও সংবেদনশীল জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। MyCtgBangla কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

Comments
Post a Comment