শ্রদ্ধা রেখেই বলছি এতবড় মহারথীকে শেখ হাসিনা আচলের তলায় কেমনে লুকাবেন ?!

আওয়ামীলীগের সাথে পজিশন-অপজিশনের পাতানো কোন খেলা নয়, এরশাদকে নতুন কিছু করে দেখাতে হবে এবং সেই সুযোগ তাঁর জন্য এখন অলৌকিকভাবে তৈরি হয়েছে । এরশাদ কিন্তু কাওকেই ছাড় দেবে না, এটা তাঁর জন্য অলৌকিক সুযোগ তাঁর শেষ ইচ্ছা পূরণের ! যদিও সবাই বলে তিনি আনপ্রেডিক্টেবল তবে তিনি তো বলেন,
" আমি সৈনিক মানুষ, জানি কখন এটাক করতে হয়! ",
" ইসলাম ধর্ম ভাল না লাগলে ধর্মান্তরিত হয়ে অন্য ধর্মে চলে যান! " ,
" রাস্ট্রধর্ম ইসলাম আমিই সংযুক্ত করেছিলাম! " ,
" প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশান হলে জনগণ আমাকেই বেছে নেবে! "
-- শ্রদ্ধা রেখেই বলছি এতবড় মহারথীকে শেখ হাসিনা আচলের তলায় কেমনে লুকাবেন ?!
আমরা এরশাদকে আর দূর্নীতি ও স্বৈরাচারের প্রতীক হিসেবে ভাবতে চাইনা, ওটা মার্জনা করা হয়েছে যদিও মহাজোট ছাড়ামাত্রই আওয়মীলীগ স্বভাবসুলভ ভাবেই স্বৈরাচার বলে গালি দিতে থাকবে তবে এই পর্যায়ে এতে কিচ্ছু যায়-আসেনা কেননা আওয়ামীলীগকে দেশের মানুষ চিনে এবং তারা কখন কি বলে সেটাও দেশের মানুষ জানে । আসলে এই পর্যায়ে বিচক্ষণ, বিনয়ী ও সুবিবেচক এরশাদ ত্রাতার ভূমিকায় আসতে পারেন এবং মহাকালে তাঁর অবস্থান বঙ্গবন্ধু, জিয়া’র চেয়েও উজ্জ্বল করতে পারেন, তবে এজন্য তাঁকে ব্যাক্তিচিন্তা ও দলীয়চিন্তার বাইরে এসে ইসলাম ও মুসলিম চেতনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি অনন্য জাতীয় দল ও একটি অনন্য রাষ্ট্রব্যবস্থার অভিষেক ঘটাতে হবে যেটা তিনি একটু ভাবলেই করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস । তাঁর উপরোক্ত উক্তিগুলো এবং প্রাদেশিক সরকার ধারণার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই তিনি এই বিষয়ে অনেকটা এগিয়ে গেছেন। এটা করার সময় আওয়ামী-বাম-রামদের গালিগালাজকে(যেটা থেকে এখন তিনি মুক্ত আছেন এবং যেটা এখন বি এন পি-জামাতকে করা হচ্ছে) হিসেবে না নিলেও পারবেন কেননা তখন তাঁর সমর্থনের মহাস্রোতের তোড়ে ওরা খড়কুটোর মত ভেসে যাবে । ধর্ম হিসেবে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব অমুসলিমদেরও স্বীকার করতে হবে, মাত্র ১০ ভাগ অমুসলিমের জন্য আমরা আমাদের ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বকে প্রতিষ্ঠা করবোনা, ধর্ম নিরপেক্ষতা বলে বলে গলা ফাটাবো এটা কোন যুক্তি হতে পারে? তাছাড়া ঐ ১০ ভাগ অমুসলিম এখানে মায়ের কোলে শিশুর মতই নিরাপদ থাকবে।
উপরোক্ত রোল এককভাবে নিতে না পারলে মহাজোট থেকে বেরিয়ে এসে ১৮ দলীয় জোটে যোগ দিন অথবা নিজেই তৃতীয় আরেকটি অনন্য জোট (জাপা+বিকল্প ধারা-(মাইনাস)গণফোরাম+নিরপেক্ষ ইসলামী ফোর্স+ ...) গঠন করুন এবং আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করুন। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন নিশ্চিত করতে পারলেই নিরপেক্ষ নির্বাচন বা নতুন রাষ্ট্র ব্যাবস্থার(প্রেসিডেন্সিয়াল/প্রাদেশিক) পত্তনও ঐ আন্দোলনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে !
Comments
Post a Comment