বহদ্দারপাড়া হতে বলিরহাট শেষ হচ্ছে না পথচারীদের নরক যন্ত্রণা

sharif-2-1-687x525 (1).jpg


আসন্ন বর্ষার আগে খাজা রোড দিয়ে চলাচলকারীদের দুর্দশা লাঘব হচ্ছে না। বহদ্দারপাড়া হতে বলিরহাট পর্যন্ত এই সড়কটির প্রথম ফেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র। দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু করলেও চলছে শম্ভুক গতিতে। তৃতীয় ফেজের কাজ কখন শুরু হবে কেউ জানে না। নগরীর ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডের এই সড়কটিতে নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিন পরিদর্শনকালে এলাকাবাসীর অভিযোগে জানান, এবড়ো থেবড়ো এই সড়ক দিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সবাই চলাচল করে। চট্টগ্রাম ওয়াসা সড়কের বড় একটি অংশ কেটে ফেলেছে। সেটি আর মেরামত করা হয়নি। গত বর্ষায় সড়কটি এক প্রকার ধ্বংস হয়ে গেছে। বড় বড় গর্তে পড়ে হালকা যানবাহন প্রতিনিয়ত উল্টে যায়। বর্ষা আসতে আর বেশি দেরি নেই। শম্ভুক গতিতে চলছে এই সড়কের কাজ। কবে শেষ হবে তা বুঝতেই পারছেন না তারা। এমনিতেই জোয়ারের পানিতে এই ওয়ার্ডের কিছু অংশ ডুবে যায়। এর সাথে বর্ষার বৃষ্টির পানি যুক্ত হলে পরিস্থিতি কি


ভয়ানক হতে পারে সেই আতংকে আছে আছেন তারা। এলাকার একাধিক বাসিন্দা পূর্বকোণকে অভিযোগ করে বলেন, আগে যে বক্স নালাটি ছিল সেটি উঁচু না করে সড়ক উচুঁ করা হচ্ছে। একারণে এই নালার পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা কমে যাবে। একসময় সেটি বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ এত গভীরে গিয়ে নালাটি পরিষ্কার করা যাবে না। সিটি কর্পোরেশনের লোকজন এত কষ্ট করে সেই কাজটি করবেও না। তাই সিটি কর্পোরেশনের উচিত ছিল নালাটি হয় উঁচু করে পরিষ্কার করার সুযোগ রাখা নতুবা একেবারে ভরাট করে দেয়া।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহকারি প্রকৌশলী আবু ছিদ্দিক পূর্বকোণকে বলেন, বহদ্দারপাড়া হতে এক ফেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, কার্যাদেশ হয়েছে বেশি দেরি হয়নি। ঠিকাদার দ্রুততার সাথে কাজ করার চেষ্টা করছে। তৃতীয় ফেজের দরপত্র আহবানের অফিসিয়াল কার্যক্রম চলছে। সাধারণ মানুষ না বুঝেই কাজের গতি নিয়ে অভিযোগ করছে। কারণ কোন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ না দিলে তার কাজ করার সুযোগ নেই। নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনিয়ে তিনি নিজেও অভিযোগ পেয়েছেন। তাই সদা সতর্ক আছেন। যাতে ঠিকাদার কোনভাবেই নিন্মমানের ইট-সিমেন্ট ব্যবহার করতে না পারে।
বক্স নালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই নালার ম্যানহোলগুলি উঁচু করা হচ্ছে। পুরো নালা উঁচু করার সুযোগ নেই। তিনি জানান, প্রায় তিন কোটি টাকার প্রকল্পে সড়কটি যে পরিমাণ উঁচু করা হচ্ছে তাতে সড়কে আর পানি জমে থাকার সুযোগ থাকবে না। কারণ গত কয়েক বছর যে লেভেলে পানি জমেছিল তার থেকে প্রায় ছয় ইঞ্চি উঁচু করা হচ্ছে।

Comments

LMP - Last Month Popular

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং| শীর্ষে ব্র্যাক, নর্থ সাউথ ও আইইউবি

ফোরজি সেবা পেতে জানতে হবে তিনটি তথ্য

সামনের সপ্তাহেই পুত্রকে সরাসরি সিংহাসনে বসাবেন বাদশাহ সালমান!